
নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায় থেকেই স্বাস্থ্যসেবার সূচনা করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’—এই নীতিকে সামনে রেখে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার রূপান্তর ঘটানো হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় নারী ও শিশুদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি জানান, সরকার আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে, যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। এসব স্বাস্থ্যকর্মী পরিবারগুলোকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবেন।
এ ছাড়া দেশজুড়ে ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে দেশে ১১ হাজারের বেশি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ রয়েছেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ২৫ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় প্রত্যেক নাগরিকের জন্য হেলথ কার্ড, ডিজিটাল স্বাস্থ্য রেকর্ড এবং ইলেকট্রনিক রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা ও রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।

































