back to top
Home গ্রামের খবর ‘বিবেক দিয়ে বিচার করার দায়িত্ব জনগণের’, সম্মানহানির জন্য মিথ্যাচার: খালেকুজ্জামান বাবলু

‘বিবেক দিয়ে বিচার করার দায়িত্ব জনগণের’, সম্মানহানির জন্য মিথ্যাচার: খালেকুজ্জামান বাবলু

62

নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আলোচনায় একটি জমি, বাড়ি ও একটি গাড়ির ছবি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব ছবির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলুর সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে আসার পর এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও সরকারি নথি যাচাই করে জানা গেছে, ছবিতে দেখানো জমিটি খালেকুজ্জামান বাবলুর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয়; জমিটি তার বোনের নামে। সংশ্লিষ্ট দলিল অনুযায়ী, তাদের পিতা হেবা দলিলের মাধ্যমে জমিটি তার মেয়েকে প্রদান করেছেন।

অন্যদিকে, ছবিতে দেখানো বাড়িটির মালিকানা খালেকুজ্জামান বাবলুর মায়ের নামে রয়েছে। যাচাই করা দলিল অনুযায়ী, বাবলুর পিতা তার স্ত্রীকে হেবা দলিলের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি প্রদান করেছেন।

 

গাড়ির মালিকানাও যাচাই

আলোচনায় আসা গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিও যাচাই করা হয়েছে। যাচাই করা নথি অনুযায়ী, গাড়িটির মালিক খালেকুজ্জামান বাবলু নন; গাড়িটি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর নামে রয়েছে।

মাহবুবুর রহমান চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে জানান, গাড়িটি তিনি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন; তিনি বিএনপির রাজনীতির সমর্থক।

সাক্ষাৎকারে তিনি তার মোবাইল ফোনের গ্যালারি থেকে বিভিন্ন ছবিও দেখান। এর মধ্যে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে তার ছবি রয়েছে বলে জানা যায়। একটি ছবিতে বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে দেখা যায়।

 

‘বিবেক দিয়ে বিচার করার দায়িত্ব জনগণের’

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রচার প্রসঙ্গে খালেকুজ্জামান বাবলু বলেন, বিষয়টি জনগণের বিবেকের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

খালেকুজ্জামান বাবলু বলেন, “বিবেক দিয়ে বিচার করার দায়িত্ব জনগণের। শুধু সম্মানহানী করার জন্য ও হিংসার বশবর্তী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।”

 

খালেকুজ্জামান বাবলু বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলিল, রেজিস্ট্রেশন ও সরকারি নথি যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ছবি ও বক্তব্যের সঙ্গে প্রকৃত মালিকানার তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ফলে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা দাবি করার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি ও দলিল যাচাই করা জরুরি।